Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়

প্রভাত খাঁ

ইংরেজ শাসনে আমরা জন্মাই ও প্রথম জীবনে সেই আমলেই লেখা পড়া শিক্ষা করি পরবর্ত্তীকালে ৪৭ সালে ইংরেজ শাসন না থাকলেও সেই পদ্ধতি ও পাঠ্যপুস্তক চলে৷ অনেক পরে শিক্ষায় হাত দেয় দেশীয় শাসক এই রাজ্যে বামফ্রন্ট৷ শিক্ষকগণের বেতন বলতে প্রায় কিছুই ছিলনা! শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করে৷ কিন্তু উচ্চ বিদ্যালয়ের যে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা যা মাষ্টার মহাশয়দের ও স্কুলের পক্ষ থেকে দেয় জমানো টাকা কড়ায় গণ্ডায় দিয়ে দিতে হয় তৎকালীন সরকারকে তারপর শিক্ষকদের মাসিক বেতন সরকার দেন, তার আগে গ্রামের স্কুলে মেয়েদের বেতন সরকার দিতেন৷ স্কুলগুলোকে সরকার বাৎসরিক কিছু অনুদান দিত৷ তখন ডি.এ অর্দ্ধেক স্কুল ও অর্দ্ধেক সরকার দিতেন৷ শিক্ষকদের লিখিত দিতে হতো স্কুল ডি.এ দিয়েছে৷ না পেলে সরকার অর্দ্ধেক অংশ ছয় মাস অন্তর দিত৷

অডিটর অনেক সময় প্রশ্ণ করতেন নিছক জানতে সত্যই কি স্কুল ডি.এ আপনাদের দেন? উত্তর বলতে হতো পেয়েছি যখন স্বাক্ষর করেছি তখন পেয়েছি এই উত্তরে তিনি মুখে হাসি দিতেন! এই অবস্থা ছিল! আজ সরকার সব কিছুই দেন৷ কারণ সরকার স্কুলকে সরকারী বলে ঘোষনা করেছেন! তাই সরকার তাঁদের ইচ্ছামতো শাসন চালাচ্ছেন! এই রাজ্যে বামফ্রন্টের আমলে শিক্ষায় প্রাধান্য বেশ ছিল, সেই সরকার গিয়ে এখন তাঁদের প্রাধান্য তেমই চলছে৷ কিছু বলার নেই! তবে সরকার আসবে ও সরকার যাবে কিন্তু সেই মানুষ গড়ার পীঠস্থান আজ দলতন্ত্রের প্রভাব ফেলাটা ভারতীয় সংবিধান মতে অন্য সরকার এসেছে৷ এখন অবশ্যই বেআইনী ব্যাপার! এটা কোন দলীয় সরকারই মানেন না! কারণ এই দেশে গণতন্ত্র বলতে কিছুই নেই! দুঃখের সঙ্গে বলি সরকার দলের, দলের দ্বারা দলের জন্য৷’’ তাই কেন্দ্রে ও রাজ্যে যে দল শাসন করে সেই দলের সেই অনেকটা স্বৈরাচারী শাসন চলছে৷ তবে বর্তমানে বিজেপি নানাক্ষেত্রে হিন্দুত্ববাদীর রূপ নিয়ে যে ব্যভিচার করে চলেছে সেটা অসহ্য যদিও কেন্দ্র সরকার মিলিজুলি সরকার! এই সরকার কে খোঁড়া সরকার বলা হয়৷ তবুও ব্যবহার অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক! ভারতযুক্তরাষ্ট্র অতীতে রাজ্যগুলি আজ সংবিধানে রাষ্ট্রের অধিকার পেয়েছে৷ এদের অর্থাৎ রাষ্ট্রের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে বার বার কেন্দ্র মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট হলেন সংবিধানের রক্ষক তাই কিছুটা বাঁচোয়া! শাসকগণ বিশেষ করে কেন্দ্রে যাঁরা আসেন সব কটি দু’একটি প্রধানমন্ত্রী ছাড়া একেবারে বদমেজাজী আত্ম অহংকারী ও দলতন্ত্রী! সেই দিক থেকে বিরোধী দলের অধিকাংশ রাজ্য সরকার কিছুটা সহানুভূতিশীল৷ বর্তমানে দেশের যেটাকে ইতিহাস বলা সেটাকে কেন্দ্র সরকার মুসলীম শাসকদের প্রায় বাদ দিয়ে বসেছে৷ সেই সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাসে

হিন্দু রাজত্বের শাসক ও দেব-দেবীর মন্দির কৃষ্টি সংস্কৃতি পড়ানো হয় যার সবটাই ইতিহাস নয়, বিকৃত৷ এই দেশ হিন্দু -মুসলমান সবার৷ স্কুলে ছাত্র-ছাত্রা শিক্ষক অভিভাবক ও হিন্দু-মুসলমান উভয়েই আছে৷ এইভাবে বিকৃত ইতিহাসের মাধ্যমে বিশ্বের সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে৷ অবশ্যই বিভিন্ন স্তর থেকে প্রতিবাদ উঠছে৷ কিন্তু তার চেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক স্তরে দেশ ছোট হয়ে যাচ্ছে৷

 

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই
স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক কর্মসংস্থান
নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি

প্রবন্ধ শিরোনাম

পুঁজিবাদের অমানবিক শোষণ ও দলতান্ত্রিক শাসকের হাত থেকে মুক্তির পথ তরুণ সমাজকে খুঁজে নিতেই হবে
দলতন্ত্র দেশকে ধবংসের কিনারে নিয়ে এসেছে
তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved