Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

নিত্যদিনের সমস্যা, সমাধানও অসম্ভব নয়-- অথচ প্রশাসনের গা ছাড়া ভাব

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়

রাজ্যবাসীকে নিত্যদিন বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়৷ সদিচ্ছা থাকলে প্রশাসনের পক্ষে এইধরনের সমস্যাগুলোর সমাধান করাও খুব একটা জটিল ব্যাপার নয়৷ অথচ প্রশাসনিক কর্তাব্যষ্টিরা এগুলো এড়িয়ে থাকতেই পছন্দ করেন নানান কারণে৷ কিন্তু এভাবে সকলকে সন্তুষ্ট করে প্রশাসন চালানো যে আদৌ সম্ভব নয় তা প্রশাসনিক কর্তারা বুঝতে পারলেও এখন অনেক কিছুই তাঁদের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে৷ তবে আদর্শ প্রশাসকের কাজ আইনভঙ্গকারীদের শাস্তি দেওয়া৷তাতে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হবে রাজ্য প্রশাসনের৷ নচেৎ মাশুল গুনতে হবে!

রাজ্যে পরিবেশ দপ্তর আছে, বিভিন্ন সময় এই দপ্তরের পক্ষ থেকে দূষণের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টাও করা হয়ে থাকে৷ বায়ুদূষণ , জল দূষণের মত শব্দ দূষণও এখন এক বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ জনগণের কাছে এবং যাঁরা ভুক্তভোগী তাঁরা ভালোভাবেই জানেন৷ প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য যে শোভাযাত্রা বের হয়, সেইসময় অনেক পুজো কমিটিকে দেখা যায় তারা আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ডিজে বাজিয়ে এমন পরিবেশের সৃষ্টি করে যার ফলে শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই ভয়ানক শব্দ দূষণের শিকার হয়৷ এই অবস্থা থেকে কে বা কারা পরিত্রাণ দেবে-- সাধারণ মানুষ জানে না৷ থানা আছে, পুলিশ আছে, পুলিশের বড়ো কর্তারা আছেন -- অথচ এই পুজো কমিটিগুলো এত সাহস পায় কীকরে এমন ধরনের শব্দদূষণ ঘটিয়ে অসভ্যতা করার? তার উপরে প্রকাশ্যে অনেককেই প্রতিমা নিরঞ্জনের শোভাযাত্রায় মদ্যপান করতে দেখা যায়৷ এখন কী প্রকাশ্যে মদ্যপান করার অনুমতিও প্রশাসনের তরফে দেওয়া হয়েছে? প্রতিমা নিরঞ্জনের শোভাযাত্রা বের করার জন্য পুলিশের অনুমতি নিশ্চয়ই লাগে৷ তখন কি করা যাবে , আর কি করা যাবেনা তার নির্দেশনাও নিশ্চয় দেওয়া হয়৷ তাহলে যে সমস্ত পুজো কমিটি আইন ভাঙছে তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না? এব্যাপারে তাদের উপর কোনো হস্তক্ষেপ করা চলবে না বলে শাসক দলের প্রচ্ছন্ন কোনো চাপ থাকে কি পুলিশের উপর ! সাধারণ জনগণের কিন্তু ধৈর‌্যচ্যুতি ঘটছে এসব দেখে শুনে৷ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এসব একেবারেই পছন্দ করছেন না৷ তাঁদের প্রশ্ণ -- রাজ্যে এখন এইধরনের লুম্পেনরাই কী শেষ কথা বলবে?

রাজ্য সরকার ঘটা করেSafe drive Save life কর্মসূচি পালন করে থাকে৷ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে প্রশাসন সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টাও করে৷ উদ্দেশ্য মহৎ, এব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই৷ কিন্তু ইচ্ছে করে যারা হেলমেট ছাড়া বাইক চালাচ্ছেন কিংবা কানে মোবাইল গুঁজে দ্রুত গতিতে গাড়ি বা বাইক ছোটাচ্ছেন তাদের এ থেকে বিরত করার কি কৌশল প্রশাসন নিয়েছেন বা নিচ্ছেন, তা মানুষ জানতে বা বুঝতে চায়৷ কেননা সাধারণ জনগণের ধারণা পুলিশকে ম্যানেজ করতে পারলেই আর কোনো সমস্যা নেই আইনভঙ্গকারীদের৷ শুধুমাত্র জরিমানা করে ছেড়ে দিলে এই ব্যাধি দূর হওয়ার নয়৷ এজন্য কড়া দাওয়াই দিতে হবে৷ প্রয়োজনে বাইক বা গাড়ি চালকদের লাইসেন্স বাতিল করে দিতে হবে৷ চালকদের নতুন করে যেন আবার লাইসেন্স করতে হয়৷ কিছু কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আইন ভঙ্গকারীদের শায়েস্তা করা সম্ভব নয়৷ সৎ ও নির্ভীক পুলিশ কর্মী বা প্রশাসনিক কর্তারাই একমাত্র এই অবস্থার বদল আনতে পারেন৷

পরিবেশ বান্ধব যান হিসেবে টোটো বয়স্কসহ সকলের জন্য উপকারী, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু বর্তমানে টোটো শহরবাসীর কাছে এক যন্ত্রণার নাম৷ কত সংখ্যক টোটো যে শহরাঞ্চলে ঘুরছে তার হিসেব পুরসভা বা রাজ্য প্রশাসনের কাছে সম্ভবতঃ নেই৷ প্রতিদিনই নতুন নতুন টোটো রাস্তায় নামছে৷ শহরের পুরো রাস্তা এখন টোটোর দখলে৷ আর তারা যাত্রী তোলার নামে যেখানে ইচ্ছে সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ছে, ফলে পথচারীদের ভয়ানক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়৷ তার সাথে ইচ্ছেমত ভাড়া হাঁকছে যাত্রীদের কাছে৷ একদিকে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা, অন্যদিকে জোর জুলুমের শিকার হতে হয় যাত্রীদের৷ কেউ দেখার নেই, কোথাও অভিযোগ জানানোর জায়গা নেই৷ এই অবস্থার পরিবর্তন করার জন্য প্রশাসনের কী কিছুই করার নেই? কাদের সন্তুষ্ট করতে চায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা? সাধারণ জনগণ কিন্তু এনিয়েও ক্ষুব্ধ৷

পথচারীদের রাস্তায় হাঁটার জন্য ফুটপাত থাকার দরকার৷ বড়ো বড়ো শহরে তা থাকলেও, সর্বত্র কিন্তু নেই৷ যেখানে আছে সেখানেও যে পথচারীরা তার ব্যবহার করতে পারেন তা কিন্তু নয়৷ কারণ সেসব ফুটপাত হকার বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দখলে৷ আর যেখানে তা নেই সেখানে রাস্তার ধার দিয়ে পথচারীদের হাঁটার কথা, তাও উধাও হয়ে গেছে৷ সেসব শুধু হকারভাইদের দখলে নয়, সরকারি সেইসব জায়গা নাকি লক্ষ লক্ষ টাকায় কেনাবেচা চলছে!! যে জায়গা ঘিরে রাখছে সে যখন অন্যকে ছেড়ে দিচ্ছে এলাকা অনুযায়ী দাম নেয়৷ কোন মাতববরেরা এসব করছে স্থানীয় মানুষজন হয়তো জানে, কিন্তু পুলিশ বা প্রশাসনের কর্তারা কিছুই জানতে পারেন না! আপনারা শুনে অবাক হলেও এটাই নাকি বাস্তব ! পুরসভা আছে, কর্র্পেরেশন আছে, পুলিশ আছে - কিন্তু সবাই কেমন জেনেও না জানার ভান করে আছে!! এই বেআইনী কারবারগুলো বন্ধ করে হকারদের জন্য স্বল্পমূল্যে দোকানঘর তৈরী করে একটা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা স্বাধীনতার পর থেকে এতদিনে করা যেত না? সদিচ্ছা থাকলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ এখনও সম্ভব৷ কিন্তু কে করবে?

আরও এইধরনের নানা সাধারণ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় জনগণকে প্রতিনিয়ত৷ যেগুলো পরবর্তী সময়ে আলোকপাত করা যেতে পারে৷ তবে প্রশাসন সতর্ক থাকলেই এসব ছোটখাটো সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনকে অবশ্যই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যা রাজ্যবাসীর পক্ষে ভালো ছাড়া খারাপ হবে না৷ ক্ষমতায় থাকার জন্য অন্যায় জেনেও সবকিছুতে চোখ বুজে থাকলে একদিন সেসব বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে৷ ভবিষ্যত প্রজন্ম কিন্তু ক্ষমা করবে না৷

 

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
আরও

সম্পাদকীয়

বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই
স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক কর্মসংস্থান

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার
প্রথম দেখা
এবার মুখোশ খুলে বাঙালী বিদ্বেষের - স্বরূপ প্রকাশ করলো অসম সরকার
নিত্যদিনের সমস্যা, সমাধানও অসম্ভব নয়-- অথচ প্রশাসনের গা ছাড়া ভাব
আমার বাঙলা

পুরানো মাসিক খবর

  • June 2019 (110)
  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved