Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দিব্য অনুভূতি

পত্রিকা প্রতিনিধি

অভিব্যক্ত এই ধরনীর সব কিছুই তো তোমার রূপময় প্রকাশ৷ এই বিশ্বের প্রতিটি অণুব্যক্তি তোমারই ভূমা মনের কল্পনা সৃষ্ট৷ পরিদৃশ্যমান জগতের প্রতিটি সত্তাই তোমার থেকেই উৎসারিত৷ হে আনন্দ স্বরূপ স্রষ্টা তোমারই সৃষ্ট আর্ত মানবতাকে পরিত্রাণ করতে তুমিও কখনও কখনও পাঞ্চভৌতিক দেহধারণ করে ধরা দাও পাঞ্চভৌতিক জগতে৷ আবার ফিরেও যাও৷ সে যাওয়া ভক্ত হৃদয় মানতে পারে না৷

তোমারই এই সৃষ্ট জগতে তোমারই বাঁধা নিয়মে কত কিছুই যায় আর আসে৷ যে সূর্য অস্ত গেল একটু আগে সেই সূর্য আবার কাল সকালে উদয় হবে৷ এইভাবে দিন যায় রাত আসে৷ রাতের পর আবার দিনও আসে৷ এই যে শরৎ আর ক’টা দিন পরে বিদায় নেবে এও আবার ফিরে আসবে আর একটা বর্ষা পার করে৷ এখন তুমি শুধু আসো না চরণ ফেলে৷ মধুমালঞ্চ মধুকর্ণিকা, মধুমলয়ে, মধুকোরকে আর পড়ে না তোমার পদচিহ্ণ৷ রবিবারের বিকেলে আর আসে না কেউ তোমার মিষ্টিমধুর হাসিমাখা মুখের অমৃত বচন শুনতে৷ ‘‘ছিলে আছো থাকবে তুমি’’ তবুও তো গেলে! তাই তো শব্দচয়নিকা থেমে গেছে ‘গ’-এর মাঝপথে, প্রভাতসঙ্গীত থেমে গেছে ৫০১৮-তে৷ ডি.এম.সি. শব্দটা বদলে হয়ে গেছে, ডি.এম.এস.৷ তুমি তো আছই প্রতি মুহূর্ত্তেই, প্রতিক্ষণেই সঙ্গে সঙ্গে জীবনের সকল কাজে৷ তবু এই যে হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো মাঝে মাঝে একটা না থাকার বেদনায় আচ্ছন্ন করে মনকে৷ পাঞ্চভৌতিক এই জগতে এই না থাকাটাও অস্বীকার করা যায়না৷ 

তবু কেউ কেউ প্রশ্ণ তুলেছেন পরমপুরুষের আবার মহাপ্রয়াণ হয় নাকি? যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ণ৷ যিনি অনাদি অনন্ত, যিনি সর্বব্যাপী, যিনি কালাতীত, তাঁর আবার মহাপ্রয়াণ!

পার্থিব এই জগতে যা আসে তাকে যেতেই হয়৷ কোন কিছুই এখানে চিরস্থায়ী নয়৷ এ তাঁরই বিধান৷ স্রষ্টার কোন সৃষ্টিই এই বিধানের বাইরে নয়৷ এমনকি স্বয়ং পরমপুরুষ নিজেই যখন সৃষ্টিরূপে এই ধরায় অবতীর্ণ হন, তখন তাঁকেও তাঁরই বিধান মেনে চলতে হয়৷ সেই বিধানের বাইরে তিনিও যেতে পারেন না৷ 

তাই পরমপুরুষ যখন পাঞ্চভৌতিক দেহ ধারণ করে পৃথিবীতে আসেন তখন তাঁকেও সেই দেহ ত্যাগ করে যেতেই হয়৷ অরূপ যখন রূপে ধরা দেয় তখন নিজের বিধানেই বাঁধা পড়ে৷ তাই যে আসে তাকে যেতেও হয়৷ ১৯২১-এর আনন্দপূর্ণিমায় যিনি এসেছিলেন পার্থিব দেহ ধারণ করে ১৯৯০-এর ২১শে অক্টোবর তিনি সেই দেহ ত্যাগ করলেন৷ সারা বিশ্বের ভক্তদের সেই পবিত্র দেহ দর্শনের জন্য তিলজলা কেন্দ্রীয় আশ্রমে পাঁচ দিন রাখা ছিল৷ ২৬ তারিখ অপরাহ্ণে তাঁর সেই পবিত্র পার্থিব দেহ অনলে বিলীন করা হয়৷ 

পাঞ্চভৌতিক দেহ নিয়ে যে আসে সেই সম্ভূতি৷ পরমপুরুষ যখন পাঞ্চভৌতিক দেহ নিয়ে আসেন তখন তাঁকে বলা হয় মহাসম্ভূতি৷ সম্ভূতি দেহত্যাগ করলে বলা হয় প্রয়াণ৷ মহাসম্ভূতি দেহত্যাগ করলে ‘মহাপ্রয়াণ’ বলাই যুক্তিসঙ্গত৷

পাঞ্চভৌতিক দেহ নিয়ে যিনি আসেন তাঁকে যেতেই হয়৷ পরমপুরুষও যখন পরিত্রাণ কর্তারূপে পাঞ্চভৌতিক দেহ নিয়ে পৃথিবীতে আসেন তাঁকেও একদিন সেই দেহ ছেড়ে যেতে হয়৷ ভক্ত হৃদয় কিন্তু তাঁর এই যাওয়াটাকে মেনে নিতে পারে না৷ তাই যে পাঁচদিন তাঁর পবিত্র দেহ কেন্দ্রীয় আশ্রমে সংরক্ষিত ছিল শোকার্ত ভক্তবৃন্দ কীর্ত্তনে মেতে ছিল৷ কীর্ত্তন কেন? পরমপুরুষই বলেছেন ---‘‘কতগুলো মানুষ যখন কীর্ত্তন করছে তখন সেই মানুষগুলির শারীরিক শক্তিই যে একত্রিত হচ্ছে তাই নয়, তাদের মিলিত মানস শক্তিও একই ভাবধারায় আর একই পরমপুরুষের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়ে, প্রেষণা পেয়ে একই ধারায় একই খাতে বইতে থাকে৷ তাই সেখানে কেবল যে একটা বিপুল জড়শক্তির সমাবেশ ঘটে তা-ই নয়, মানস শক্তিরও একটা অতি বিরাট সমাবেশ ঘটে৷ আর সেই মিলিত জড়শক্তি ও মিলিত মানস শক্তি এই প্রপাঞ্চিক জগতের পুঞ্জিভূত দুঃখ-ক্লেশ দূর করে দেয়৷’’

প্রতি বছর ১৯৯০-এর অক্টোবরের সেই পাঁচদিনকে স্মরণ করে যদি কীর্ত্তন করা হয় আর সেই অনুষ্ঠানকে যদি মহাপ্রয়াণ দিবস বলা হয় এতে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় না৷ যারা এটাকে ডগমা বলে আসলে তারাই ভাবজড়তায় আচ্ছন্ন৷ সংকীর্ণ মনের মানুষ৷ এরা জ্ঞানপাপী৷ সব জেনে বুঝেও মানুষকে বিপথে চালিত করতে চায় কু-মতলবে৷ পরিশেষে তাঁরই কথা স্মরণ করি---‘ভক্তেরা যখনই মিলিত কীর্ত্তন করেন তখনই পরমপুরুষ সেই ভক্ত হৃদয়ের সিংহাসনে এসে উপবেশন করেন৷ পরমপুরুষ তখনই তাঁর কেন্দ্রবিন্দুকে সেই স্থানটিতে স্থানান্তরিত করেন, সেটাই হয়ে দাঁড়ায় পরমপুরুষের দিব্য রাজধানী৷’

২১শে অক্টোবর থেকে ২৬শে অক্টোবর পরমপুরুষের দিব্য রাজধানী হয়ে উঠবে কলিকাতার ৫২৭ ভি.আই.পি নগরে আনন্দমার্গের কেন্দ্রীয় আশ্রম প্রাঙ্গন৷ যেখানে মহাসম্ভূতি শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী পাঞ্চভৌতিক দেহ অনলে বিলীন হয়েছে৷ এই পাঁচ দিন দেশ বিদেশের ভক্ত মার্গীরা কীর্ত্তনের সুর মুর্চ্ছনায় ভক্তিরসের আচ্ছাদনে দিব্য অনুভূতিতে বিভোর থাকবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • June 2019 (110)
  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved