Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

এক দেশ---এক ভাষা, এক দল বাস্তববোধহীন চিন্তা

একথা রূঢ় বাস্তব---ভারতবর্ষের অভ্যন্তরেই আজ বিচ্ছিন্নতার সুর৷ তাই রাষ্ট্রের কর্ণধারদের সংহতির কথা চিন্তা করতেই হবে৷ ঐক্যের পথ খুঁজে বের করতেই হবে৷ কিন্তু শুধু রোগ জানলেই হবে না৷রোগের কারণও জানতে হবে৷ নতুবা ভুল ঔষধ প্রয়োগে হিতে বিপরীত হবে৷

ভারতবর্ষ একটি যুক্তরাষ্ট্র৷ এই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় নানা ভাষাভাষীর জনগোষ্ঠী আছে৷ তাদের আচার-আচরণ, পোষাক-আষাক, চাল-চলনে অনেক পার্থক্য আছে৷ এই পার্থক্যই ভারতবর্ষকে এক নতুন বৈশিষ্ট্য দিয়েছে৷ তাই বলা হয়ে থাকে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য৷ তাই রাষ্ট্র নেতাদের এই বৈচিত্র্যের পৃথক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেই ঐক্যের পথ খুঁজতে হবে৷ পৃথক বৈশিষ্ট্যের বিনাশ ঘটিয়ে নয়৷

শুধুমাত্র ভাষাভিত্তিক রাজ্য ঘটন করতে গিয়ে (অবশ্য বাংলাকে অবহেলা করে) স্বাধীনতার ঊষালগ্ণে যে ভুল রাষ্ট্রনেতারা করেছে তার মাশুল আজও দেশবাসীকে দিতে হচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিতে হবে৷ এই সংকট থেকে পরিত্রাণের একটাই পথ---রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটিত রাজ্যের বিলোপ ঘটিয়ে ভাষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক অবস্থান, নৃতাত্তিক পরিচয় ও অর্থনৈতিক সমস্যা ও সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে জনগোষ্ঠীগত বিচারে সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘটন৷

ভারতবর্ষের বর্তমান যে সামাজিক অবক্ষয় ও বিচ্ছিন্নতার সুর শোনা যাচ্ছে তার কারণ কিন্তু কোনও ভাষা নয়৷ একদিকে অর্থনৈতিক বৈষম্য আশমান-জমিন তফাৎ, অপরদিকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ধর্মমত মানুষকে সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি, রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ অচেতন করে রেখেছে৷ শোষক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি এর পূর্ণ সুযোগ নিয়ে মানুষকে বিশেষ করে যুবসমাজকে বিপথগামী করছে৷ এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র নেতাদের বক্তব্য  ও চিন্তাধারায় অনেক বেশী স্বচ্ছতার প্রয়োজন৷ নতুবা আগুনে ঘি ঢালার সামিল হবে৷

রাষ্ট্রনেতাদের মনে রাখতে হবে ভারতবর্ষ শুধু একটি দেশ নয়, ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি ও নৃতাত্ত্বিক বিচারে ভাতবর্ষ বহু জনগোষ্ঠীর মিলনস্থল৷ আবার শাসনবিধি অনুযায়ী ভারতবর্ষ বহু দলীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র৷ কবির কথায়---‘নানা ভাষা, নানা মত নানা পরিধান/বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান৷’ মহান ভারতবর্ষের ঐতিহ্য এটাই৷ মহামিলনের এই তীর্থক্ষেত্রের মহত্ব কোন একটি ভাষা বা কোনও একটি ধর্মমতের জন্যে নয়৷ দেশের কর্ণধারদের এই সহজ সত্যটা বুঝতে হবে৷

পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলী ও ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় কোন একটি ভাষা, কোন একটি দল বা কোন ধর্মমত ঐক্যের নয়, বিভেদের বীজ বহন করে৷ পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাদেশ রূপান্তর, সোভিয়েত ইয়ূনিয়নের অবলুপ্তি তার দৃষ্টান্ত৷ জোর পূর্বক কোনও ভাষা বা মতবাদ চাপানোর পরিণতির ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও ভারতের রাষ্ট্রনেতারা সেই পথেই হাঁটে৷ আবার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্রের জন্ম দেবে৷

ভারতবর্ষের বর্তমান সমাস্যার সমাধান করে সমগ্র ভারতবাসীকে এক সুরে বাঁধতে কোনও একটি ভাষা, কোন একটি দলের সাহায্যের প্রয়োজন নেই৷ প্রয়োজন একটি বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা যা মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার নূন্যতম প্রয়োজনগুলো যোগাবে৷ এও মনে রাখতে হবে প্রাউটের দৃষ্টিতে ভারতবর্ষ ৪৪টি জনগোষ্ঠীর একটি দেশ৷ বাঙালী, অঙ্গিকা মৈথিলী, ভোজপুরী, বুন্দেলী, বাঘেলী, অসি পাঞ্জাবী, তামিল, তেলেগু, মালয়ালাম প্রভৃতি৷ এই ৪৪টি জনগোষ্ঠীকে কোন একটি ভাষা বা ধর্মমত দিয়ে এক সূত্রে বেঁধে রাখা যাবে না৷ প্রতিটি জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ লাভের পূর্ণ সুযোগ দিতে হবে ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিটি জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে৷ কিন্তু এটাই শেষ নয়৷

নানা ভাষাভাষীর ভারতবাসীকে এক সূত্রে বেঁধে রেখেছে তার অন্তর্মুখী জীবনধারা৷ প্রতিটি মানুষের জীবনের পরম লক্ষ্য এক শাশ্বত অনন্ত সত্তায় লীন হয়ে যাওয়া৷ প্রাচীন কাল থেকেই ভারতবাসী সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলে৷ সেই পরম সত্তায় লীন হওয়াই তার জীবনের পরম লক্ষ্য, তার সাধনা, তার প্রাণধর্ম৷ যখনই সে এই জীবনধারা থেকে সরে আসে তখনই তার সমাজ জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে৷

বর্তমান ভারতবর্ষের দুর্গতির মূল কারণ এটাই৷ নাম-যশ-খ্যাতি-ক্ষমতা-ধন-সম্পদ--- বহিপ্রকৃতির বিপুল ঐশ্বর্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে মানুষ তার অন্তর্মুখী জীবনধারা থেকে, জীবনের পরম লক্ষ্য থেকে দূরে সরে গেছে৷ হিংসা, বিদ্বেষ, স্বার্থলোভ, দল, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় সংঘাতের পরিবেশ তৈরী করছে৷ রাজ্যে রাজ্যে বিচ্ছিন্নতার সুর তুলছে৷ এই পরিস্থিতিতে দেশের কর্ণধারদের ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত৷

তাই কোন ভাষা বা ধর্মমত নয়, ভারতাসীকে এক সূত্রে বাঁধতে প্রয়োজন একটি বলিষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও তার অন্তর্মুখী জীবনের অনুশীলন৷ তখন শুধু ভারতবর্ষ নয়, বিশ্বের সকল মানুষই এক সূত্রে বাঁধা পড়বে৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে
  • ভারতের ভয়ঙ্কর দশা থেকে বাঁচতে  শোষিত নাগরিকদের  ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2017 (92)
  • April 2017 (93)
  • March 2017 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 13
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved