Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবী

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

করোনার চতুর্থ ঢেউ আছড়ে পড়ছে৷ স্বাস্থ্য অধিকর্র্ত ও  ডাক্তারদের আশ্বাস আগের মতো ভয়ানক হবে না চতুর্থ ঢেউ৷ তবুও দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷

কিন্তু অতিক্ষুদ্র এক মারণ বাইরাস কোভিড -১৯ সবকিছু লন্ডভণ্ড করে দিল৷ চেকপোস্ট, এন.আর.সি, সিএএ, কোনকিছুই তার কাছে প্রতিবন্ধক নয়৷ চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক গবেষণা করে একটা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন প্রয়োগও হয়েছে বিশ্বব্যাপী, কিন্তু বাইরাস দমন হচ্ছে কই? গত প্রায় ৪০০ বছর ধরে বিজ্ঞানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মারণ বাইরাসের দৌড়---একি মানুষের দুর্বুদ্ধি! না-কি প্রকৃতির রুদ্র রোস! একথা সত্য গত ৪০০ বছরে বিজ্ঞানের সৌজন্যে মানুষের অঞ্জলি ভরে গিয়েছে বিপুল ঐশ্বর্য আর বৈভবে৷ কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতি ১০০ বছরে দেখা দেয় মারণ বাইরাসের প্রাদুর্ভাব৷ অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শুরুতে প্রায় ২০ কোটি মানুষের প্রাণ নিয়েছে বুবোনিক প্লেগ৷ তার ঠিক ১০০ বছর পরে কয়েকলক্ষ মানুষের প্রাণ হরণ করেছে জলবাহিত ব্যাকটেরিয়া কলেরা৷ ১৯১৮-২০ সালে কয়েক কোটি মানুষের প্রাণ নিয়েছে স্প্যানিশ ফ্লু-‘ইনফ্লুয়েঞ্জা৷’ তারপর ২০২০তে আবার মহামারীর রূপধারণ করেছে আর এক মারণ বাইরাস ‘কোভিড-১৯’৷

এত ঐশ্বর্য, এই বৈভব,বিজ্ঞানের নিত্যনূতন আবিষ্কার ও অবদানের আলোর ছটা ধূসর বিবর্ণ হয়ে যায় মারণ বাইরাসের কোপে৷ তবু শেষ হাসি বিজ্ঞানই হেসেছে৷ মানুষের মস্তিষ্কের কাছে মাথা নত করেছে মারণ রোগের জীবাণু৷ তবে বহু মূল্যবান প্রাণেরবিনিময়ে৷ কোভিড-১৯ও কোথায় গিয়ে থামবে, কত প্রাণের বিনিময়ে এখুনি তা বলা সম্ভব নয়, কারণ এই মারণ বাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার ও প্রয়োগ হলেও বাইরাসকে নির্মুল করা এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞানের করায়ত্বের বাইরে৷

বিজ্ঞানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই যে মারণ বাইরাসের দৌড় এর উৎস আজও বিজ্ঞানের অধরা৷ মানুষের সীমাহীন লোভ-লালসা, অদম্য কৌতুহল, সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনের আগ্রহ প্রকৃতির ওপর হামলে পড়েছে অপরিণামদর্শীর মতো৷ পরিণতিতে প্রকৃতিও তার পরিবেশের সঙ্গে ভারসাম্য হারাচ্ছে৷ ফলে ঝড়, ঝঞ্ঝা, প্লাবন, ভূ-কম্পন---প্রকৃতির রুদ্ররোষে আছড়ে পড়ছে ধরণীর বুকে, বহে আনছে মারণব্যাধির জীবাণু মদগর্বী মানুষের অহংকারের মুখে ঝামা ঘষে৷ গোদের ওপর বিষ-ফোঁড়ার মতো এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুদ্ধবাজ দানবীয় শক্তির জৈবযুদ্ধের দুর্বুদ্ধি৷ যা পৃথিবীকে বিনাশের প্রান্তে দাঁড় করিয়েছে৷

নীতিবাদী ও শুভবুদ্ধি মানুষের সমবেত প্রচেষ্টা ও বিজ্ঞানের যথাযত ব্যবহারই এই বিপর্যয় থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারে৷ নোতুবা বিজ্ঞানের বড়াই ও বিত্তশালীর অহংকার ধূলায় মিশিয়ে দিয়ে মহান বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের ভবিষ্যৎবাণী সত্য হয়ে উঠবে৷ তিনি বলেছিলেন---‘‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কী দিয়ে হবে তা আমি বলতে পারব না৷ তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ হবে লাঠি ও পাথর দিয়ে৷  অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়ঙ্কর পরিণতির পর মানুষ পিছিয়ে যাবে প্রস্তর যুগের শুরুতে৷

বিজ্ঞানের সৌজন্যে তথাকথিত সভ্যতা ও পুঁজিবাদী বিশ্বায়নের যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সমাজের তথাকথিত উঁচুতলার মানুষ দেখেছে তা অন্ধকারে বিলীন হয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে মহান বিজ্ঞানীর এই ভবিষ্যৎবাণী৷ প্রকৃতির ওপর আধিপত্যের অপচেষ্টায় সভ্যতার বিপদ ঘনিয়ে আসছে, সঙ্গে তথাকথিত ধর্মীয় মতবাদের ধবজাধারীদের গো-বিষ্ঠার বিধান সভ্যতাকে আরও হাজার বছর পেছনে নিয়ে যাবে৷

এই অভূতপূর্ব বিপর্যয়ে মানুষের সামনে পথ কি? মানুষ যদি এখনো সজাগ ও সচেতন না হয়ে তবে শুধু কোভিড-১৯ নয় আরও  কত মারণ বাইরাস ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে ডেকে আনবে বিজ্ঞানের এই বৈভব! মানুষ কি তবে বিজ্ঞানের চর্র্চ বন্ধ করে দিয়ে অন্ধকারময় অরণ্যের পর্ণ কুটিরে ফিরে যাবে! এ সম্পর্কে মহান দার্শনিক ধর্মগুরু, আনন্দমার্গ দর্শনের প্রবক্তা শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর বাণী স্মর্তব্য৷ তিনি বলেছেন---‘‘বিজ্ঞান মানুষের শত্রু নয়৷ মানুষের শত্রু অবিদ্যা৷ সর্বদা কড়া নজর রেখো যেন বিজ্ঞান চর্র্চ যারা যম-নিয়মে প্রতিষ্ঠিত কেবল তাদের হাতেই থাকে৷’’

এ মহা বিশ্বে গ্রহ তার সূর্য সবকিছুই প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে বাঁধা৷ মানুষই শুধু নিয়ম কে বৃদ্ধাঙ্গুষ্টি দেখিয়ে প্রকৃতিকে জয় করার দুর্বুদ্ধির নেশায় মেতেছে৷ তারই ভয়ঙ্কর পরিণতি এই বাইরাস আক্রমন৷

তবে কি মানুষ বিজ্ঞানের চর্চা বন্ধ করে দেবে? না, অর্র্থৎ বিজ্ঞানের চর্র্চ ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন যেন  পাশাপাশি চলতে থাকে৷ মানুষের জীবনও যেন বিধি নিষেধের নিয়মে বাঁধা থাকে৷ তবেই সব অন্ধকার দুর করে জ্বলে উঠবে নব চেতনার আলো৷ সূচনা হবে মানবজাতির  গৌরবময় অধ্যায় নতুবা প্রকৃতির রুদ্ররোষে ও দানবীয় শক্তির দুর্বুদ্ধিতে মহা বিপর্যয় ঘনিয়ে আসবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved