Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সরিবে দুর্নীতিরাজ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

দুর্নীতির জালে জড়িত রাষ্ট্র৷ স্বাধীনতার জন্মলগ্ণের আগে থেকেই দুর্নীতির গুঞ্জন শুরু হয়েছিল ক্ষমতার অলিন্দে৷ শক্তি ও স্পর্ধার প্রভাবে রাজনৈতিক ব্যাভিচারের অভিযোগ উঠেছিল স্বাধীনতার আগেই৷  স্বয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ নেহেরুকে এক পত্রে লিখেছিলেন---‘‘কংগ্রেসেরও অন্তঃসঞ্চিত ক্ষমতার তাপ হয় তো অস্বাস্থ্যের কারণ হয়ে উঠেছে বলে সন্দেহ করি৷’’ সেই ক্ষমতার তাপ আজ দুর্নীতির ভাইরাস হয়ে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে৷ আজ ভারতবর্ষে রাজনীতি ও দুর্নীতি একে অপরের পরিপূরক৷ অবশ্য দুর্নীতি বলতে শুধু আর্থিক কেলেঙ্কারিকেই বোঝায় না৷ রাষ্ট্রের পরিচালকরা আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অব্যবহার করাটাই দুর্নীতি৷ সেই অর্থে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশই কম-বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত৷

আজ পুঁজিবাদ বিশ্বব্যাপী যে সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে তার অন্যতম হাতিয়ার দুর্নীতি৷ পুঁজিবাদ নির্ভর গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক নেতারা পুঁজিপতিদের হাতের পুতুল হয়ে যায়৷  দুর্নীতির জালে রাষ্ট্র নেতাদের জড়িয়ে দিয়ে শোষণের জাল বিস্তার  করা পুঁজিবাদী ফ্যাসিস্ট শোষকদের  কুট কৌশল৷ ক্ষমতালোভী, অর্থলোলুপ, আত্মসুখ সর্বস্ব নেতারা  খুব সহজেই পুঁজিবাদের জালে জড়িয়ে পড়ে৷ স্বাধীনতার বহু আগে থেকেই ভারতীয় পুঁজিপতিরা রাজনৈতিক দল ও শাসকের ওপর প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা করে আসছে৷ স্বয়ং সুভাষচন্দ্র অভিযোগ করেছিলেন---‘‘দেশীয় পুঁজিপতিরা ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে শক্তি যোগাচ্ছে৷ এদের বিরুদ্ধেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে৷’’ সুভাষচন্দ্রকে ভারতীয় রাজনীতি থেকে উচ্ছেদের যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল তার অন্যতম কারণ সুভাসচন্দ্রের ওই উক্তি৷ স্বাধীনতার পর দেশীয় পুঁজিপতিরা ধীরে ধীরে রাজনৈতিক নেতাদের  দুর্নীতির জালে জড়িয়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতারও নিয়ন্ত্রক হয়ে দাঁড়ায়৷ 

এই জাল থেকে বেরোবার পথ আজ ডান বাম রাম কারো জানা নেই, অথবা জানা থাকলেও বৃত্তির তাড়নায় অসহায় ভাবে আত্মসমর্পণ করে পুঁজিবাদের চরণ তলে৷ একদা যে বামেদের  মিছিলে রাজপথে শোণা যেত --- পুঁজিবাদের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও আজ তারাই পুঁজিবাদের তোষণ করছে৷  সিঙ্গুর নন্দীগ্রামে আমরা তাই দেখেছি৷ রাজনৈতিক নেতাদের নৈতিক অধঃপতনের অন্যতম কারণ অধিকাংশ নেতাই মানব ধর্মের অনুশীলন ভুলে গেছে৷ বিশ্বকবি বলেছেন---‘পশু বলছে সহজ ধর্মের পথে ভোগ করো৷ মানুষ বলছে মানবধর্মের সাধনা কর৷ আজ মানুষ মানব ধর্মের সাধনা ভুলে সহজ ধর্মের পথে ভোগ লালসার পথে ছুটে চলেছে৷ এদের কারো কাছে ধর্ম আফিম, কারো কাছে ধর্ম স্বর্ণ ইটের মন্দির৷ পশুর ধর্ম পালন করতে করতে মানুষ দিন দিন  পাশবিক হয়ে যাচ্ছে৷  সমাজের কোণায় কোণায় তারই প্রভাব পড়ছে৷ বর্তমান সামাজিক বিপর্যয়ের মূল কারণ এটাই৷ গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো আছে ভ্রান্ত দর্শন৷ মানুষকে বিপদগামী করার সবরকম উপকরণ---শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷

অর্থনৈতিক বৈষম্য, ধর্মের নামে ব্যাভিচার, শিক্ষার অঙ্গনে উশৃঙ্খলতা, সংস্কৃতির নামে অশ্লীলতা সমাজকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত, শোষণের পথ করেছে প্রশস্ত৷ সমাজকে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে উদ্ধার করে শোষণমুক্ত আদর্শ সমাজ গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট পথ নির্দেশনা দিয়েছেন আনন্দমার্গ দর্শনের প্রবক্তা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী, যাঁর লৌকিক জগতের নাম শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার৷ জগৎ ও জীবন, ধর্ম, অর্থ, রাষ্ট্রনীতি, সমাজনীতি, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি সর্বক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞানভিত্তিক পথনির্দেশনা দিয়েছেন তাঁর আনন্দমার্গ দর্শনে৷ এই দর্শনেরই অন্তর্ভুক্ত সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব --- প্রগতিশীল উপযোগতত্ত্ব৷  সংক্ষেপে প্রাউট যার ভিত্তি আধ্যাত্মিক নব্যমানবতাবাদ৷ আধ্যাত্মিক নৈতিকতায় প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব ছাড়া সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত করা  কখনওই  সম্ভব নয়, তাই প্রাউটতত্ত্বের প্রবক্তা নেতৃত্বের গুণাবলী প্রসঙ্গে বলেছেন--- শারীরিক সক্ষম, মানসিকতায় দৃঢ় ও সর্বপ্রকার সংকীর্ণতামুক্ত উদার হৃদয়ের অধিকারী হতে হবে নেতৃত্বকে৷ তিনি এই নেতৃত্বের নাম দিয়েছেন সদ্‌বিপ্র ৷  এই নেতৃত্বের পক্ষেই সম্ভব হবে মানুষকে সর্বপ্রকার শোষণ ও  দুর্নীতিমুক্ত আদর্শ সমাজ উপহার দেওয়া৷  তাই শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে চিৎকার করে সমাজকে উদ্ধার করা যাবে না, সমাজের সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উচিত আনন্দমার্গ দর্শন সম্পর্কে অবগত হয়ে আদর্শ সমাজ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া৷ তবেই এই দুর্নীতিরাজ সরবে৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved