তোমার আসা যাওয়া
আমার এই দীন দুয়ারে
তোমার নিত্য আসা-যাওয়া
তবু কেন অশ্রু-ধারে
আকুল-ব্যাকুল পথ চাওয়া৷
বুঝিনা যে তোমার মরম
বিশ্বজুড়ে অপার লীলা
তোমার ভাবে বিভোর এ মন
দিবানিশি সারা বেলা৷৷
- Read more about তোমার আসা যাওয়া
- Log in to post comments
আমার এই দীন দুয়ারে
তোমার নিত্য আসা-যাওয়া
তবু কেন অশ্রু-ধারে
আকুল-ব্যাকুল পথ চাওয়া৷
বুঝিনা যে তোমার মরম
বিশ্বজুড়ে অপার লীলা
তোমার ভাবে বিভোর এ মন
দিবানিশি সারা বেলা৷৷
জন্মভূমিকে রক্তাক্ত করে সেই উপমহাদেশ ভারতবর্ষকে যারা ভাগ করে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিকে শাসন ক্ষমতা হাতে নেয় সেই কংগ্রেস দলটি কেমন দেশের রক্ষাকর্তা? এটা বার বার আজ প্রবীনগণ চিন্তা করছেন! শুধু তাই নয় সেই দলতন্ত্রী শাসকগণ কি কারণে সংবিধানের নাগরিকত্ব লাভের যে ভিত্তি বৎসর ঘোষণা করা হয় সেটিকে সেই ২১ বছরকে কমিয়ে বার বার ১৮বছর ও ১৬-১৭ করা হয় সেই দলতন্ত্র সরকার গুলির দ্বারা তার সদুত্তর দিতে পারেন কি? যে কাজটি সেই গণপরিষদের! সেই গণপরিষদই বা গেল কোথায়? আর একটি বড়ো কঠিন প্রশ্ণ বর্তমানে প্রকৃতিরই এই দেশের উপর এতো রোষ কেন বিশেষ করে হিমালয়ের পাহাড় অঞ্চলে?
দুর্গাপূজার মত কালীপূজার ইতিহাসও খুব প্রাচীন নয়৷ তন্ত্রের উদ্ভব সাত হাজার বছর আগে হলেও কালীপূজার প্রচলন মাত্র চারশ’ বছর আগে৷ এর প্রচলন করেছিলেন কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ৷ (শঙ্করনাথ রায়ের ভারতের সাধক–৩য় খণ্ড দ্রষ্টব্য)
কোন দেবদেবীর মূর্ত্তি গড়ে পূজার প্রথা বেদেও ছিল না, মূল তন্ত্রেও ছিল না৷ বেদকে যারা কট্টোর ভাবে মানে সেই আর্য সমাজ মূর্ত্তিপূজার বিরোধী৷
হাজার হাজার বছর ধরে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারের আবর্জনায় ভরা মনুর সমাজ শাস্ত্র আঁতুড় ঘর থেকে শ্মাশানঘাট পেরিয়ে শ্রাদ্ধের আসর---জগদ্দল পাথরের মত হিন্দু সমাজের বুকের চেপে বসে শোষণ চালাচ্ছে৷ মনুর এই স্মৃতিশাস্ত্রই হিন্দু সমাজের অধঃপতনের কারণ৷ অন্যকোন ধর্মমত বা সেই মতের অনুগামীরা হিন্দু সমাজের কোন ক্ষতি করতে পারবে না৷
মনুর সমাজ শাস্ত্রে নিয়মকানুনের কঠোরতায় মানুষ সর্বদাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে থাকতো৷ যার ফলে মানব সভ্যতার বয়স প্রায় ১৫ হাজার বছর হলেও আদর্শ মানব সমাজ আজও তৈরী হয়নি৷
অভিব্যক্ত এই ধরনীর সব কিছুই তো তোমার রূপময় প্রকাশ৷ এই বিশ্বের প্রতিটি অণুব্যক্তি তোমারই ভূমা মনের কল্পনা সৃষ্ট৷ পরিদৃশ্যমান জগতের প্রতিটি সত্তাই তোমার থেকেই উৎসারিত৷ হে আনন্দ স্বরূপ স্রষ্টা তোমারই সৃষ্ট আর্ত মানবতাকে পরিত্রাণ করতে তুমিও কখনও কখনও পাঞ্চভৌতিক দেহধারণ করে ধরা দাও পাঞ্চভৌতিক জগতে৷ আবার ফিরেও যাও৷ সে যাওয়া ভক্ত হৃদয় মানতে পারে না৷
সাংস্কৃতিক অভিপ্রকাশে ‘ আমার বাঙলা ‘ ,------ বাঙালীর , আমার বাঙলা‘র সংস্কৃতিই বাঙলার -, বাঙালীর পরিচয় ঃ ------ ২৩
খুুকুড়দহ হাইস্কুলে একসঙ্গে পড়াশুনা করেছি৷ প্রতিদিন বিকালবেলা খেলার মাঠে দেখা হবেই৷ মাঠেই মধ্যেও সবার নজর একটি ছেলের দিকে৷ যেমন সবার সাথে অমায়িক মধুর ব্যবহার তেমন তার ক্রীড়াশৈলীও নজর কাড়ার মত৷ ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা হলে বা বাইরের স্কুলের সঙ্গে কোন ম্যাচ হলে একটি দলের সেই অধিনায়ক৷ পড়াশোনার থেকে খেলাধূলার দিকেই ঝোঁকটা একটু বেশী, তবে পঠন-পাঠনকে বাদ দিয়ে নয়, কবে কবে যে আমাদের উভয়ের মধ্যে একটা অন্তরের সম্পর্ক তৈরী হয়েছে তা নিজেরাই বুঝতে পারিনি, শুধু দেখি লুকিয়ে চুরিয়ে মেলা, যাত্রা বা টুর্ণামেন্টের আসরে যেতে হলে একে অপরকে বাদ দিয়ে ঐ সব স্থানে যাওয়ার কথা কল্পনাই করতে পারতাম না৷ একাদশ শ্রেণীতে যখন পড়ছি,
আজ প্রকৃতির বুকে অসংখ্য মানুষের সমাজে অসংখ্য জনগোষ্ঠী আছে৷ যাদের অন্যতম পরিচয় তাদের মাতৃভাষা যে ভাষা প্রতিটি মানুষ তার মায়ের কাছ থেকে প্রাকৃতিক কারণে পায়৷ আর যে সামাজিক আচার অনুষ্ঠান সেই বাল্যকাল থেকে পায় মায়ের মাধ্যমে সেটি আর যে ধর্মমত পায় বা শুনে সেটি স্বাভাবিক পাওয়া৷ মা হলেন শিশুর পিতা কে শিশুকেই জানান৷ তিনিই শিশুর জন্মদাতা হন৷ এই ধরণের সে সংখ্যক মানুষ অতি প্রাচীনকাল থেকে এই স্থানে আত্মীয় স্বজনের মত বাস করেন৷ তাঁহাই হন প্রতিবেশী৷ এমনটি হতে অতি প্রাচীনকাল থেকে অনেক বছরই লেগেছিল৷ সংগ্রামের মধ্য দিকে এই মানুষের নারী পুরুষদের চলতে হতো৷ ধীরে ধীরে সেই সমাজের মধ্যে এমন কিছু সাহসীও সংগ্রামী মানু
নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।
সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত
Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved