বঙ্গ জয়ের এমন মরিয়া প্রচেষ্টা বাঙালী অনেককাল দেখেনি
এবারের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেমন যেন একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব!
এবারের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেমন যেন একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব!
আজ সারা ভারতযুক্তরাষ্ট্রের যাঁরা কেন্দ্রের শাসনে আছেন তাঁরা ইচ্ছাকৃত ভাবে মহান ভারত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কাঠামোকে অস্বীকার করে এক মারাত্মক সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদীদের রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে!
আগামী ১লা মে, বৈশাখী পূর্ণিমা প্রাউট–প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের, যিনি ধর্মগুরু মহাসম্ভূতি শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী নামে বিশ্ববাসীর কাছে সমধিক পরিচিত–তাঁর শুভ ১০৬তম আবির্ভাব তিথি৷ সারা বিশ্বের আনন্দমার্গীদের কাছে এই বৈশাখী পূর্ণিমা আনন্দপূর্ণিমা রূপে পরিচিত৷ এই পুণ্য তিথিতে মহাসমারোহে সর্বত্র মার্গগুরুদেবের জন্ম জয়ন্তী পালন করা হবে৷
আড়াই লক্ষ বাহিনী, পুরাও প্রশাসনকে উল্টে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার, অভিযোগ উঠছে বাহিনীর মধ্যে দলীয় ক্যাডার মিশে থাকার৷ বাঙালীর রাজনৈতিক সচেতনতা ভারতের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক বেশি৷ তাই নির্বাচন নিয়ে বাদবিতান্ডা, তর্ক বিতর্ক, শোরগোল অনেক বেশি৷ মারদাঙ্গা খুন জখমও হয়ে থাকে৷
---আমার জীবনে কিছু কালো দিনের মধ্যে আজ ৬ এপ্রিল ২০২৬ একটি৷ মানসিক ভাবে খুবই অসহায় লাগছে৷ বিধবস্ত৷
পশ্চিমবঙ্গের কমপক্ষে ৪০ লক্ষ জলজ্যান্ত মানুষ, যাঁরা দেশের নাগরিক, আগে বহুবার ভোট দিয়েছেন, তাঁদের এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে বিগত ৫ মাস ধরে আমি বার বার আশঙ্কা প্রকাশ করছিলাম৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছিলাম৷ আমার মনে হচ্ছিল, নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গোপন টার্গেট নিয়ে এই ছজ্জট্ট এর কাজ করছে৷ আমার নিজের ইউটিউব
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন প্রায় এসে গেল৷ বিভিন্ন দলের বোটপ্রার্থীরা বোটারদের মন জয় করার জন্য নানান ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন৷ সে চেষ্টা তো করে যাবেন তাঁরা, তা নিয়ে আমাদের মত সাধারণ মানুষের কি আর বলার থাকতে পারে! কিন্তু এবার প্রার্থীরা ( সবাই নয়) মানুষের দোরে দোরে পৌঁছে যেভাবে সহযোগিতা পাওয়ার অছিলায় রান্নাঘরে ঢুকে খুন্তি নাড়া,ঝাঁট দেওয়া,খড় কেটে দেওয়া থেকে শুরু করে নাপিতের হাত থেকে ক্ষুর কেড়ে নিয়ে দাড়ি পর্যন্ত কামিয়ে দিচ্ছেন তার জবাব নেই৷ সাধারণ মানুষের বন্ধু সাজার জন্য এত কষ্ট করার দরকার আছে কী?
বর্তমানে সারা দেশ ভারত যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে চলছে সেটা ভাবতে ভাবতে মনে পড়ছে অতীতের সেই ১৮৮৫ সালের কথা৷ সেই সময় বিদেশী ইংরেজ শাসক কোন জনসংযোগ করতো না তাতে সারা দেশ একটি চাপা অসন্তোষ সৃষ্টি হয়৷ এটা বুঝেই ইংরেজ সরকার এর পক্ষ থেকে ভিক্টর এ্যালেন হিয়ুম একজন উচ্চশিক্ষিত ইংরেজ সরকারের নির্দেশেই দেশের কিছু শিক্ষিত ব্যষ্টিকে নিয়ে একটি দেশী রাজনৈতিক দল ঘটন করেন৷ যার নাম হয় ‘কংগ্রেস’৷ এই দলের সভাপতি হন ব্যরিষ্টার শ্রী উমেশচন্দ্র মজুমদার ও অন্য কয়েক জনকে নিয়ে এই সংঘটন তৈরী হয়৷ যেটি রাজনৈতিক সরকার স্বীকৃত দল যাঁদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই বিদেশী ইংরেজ শাসক এদেশ চালাতে মনস্থ করেন৷ এ
না এই নির্বাচনে দুর্নীতি কোন ইস্যু হতে পারে না৷ এই নির্বাচন এক কোটি বাঙালীর ভোটাধিকার তথা মৌলিক অধিকার হরণ করেছে নির্বাচন কমিশনার কেন্দ্রীয় শাসকদলের মদতে৷ শুধু তাই নয় গণতন্ত্রের ওপরেও আঘাত হানছে দিল্লি স্বৈরাচারী শাসক৷ সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের সমীক্ষার প্রতিবেদনে ভারতকে নির্বাচিতদের স্বৈরাচার ও আংশিক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেছে৷ এই স্বৈরাচারী শাসকের প্রধান লক্ষ্য বাঙলা ও বাঙালী৷ তাই এই নির্বাচনে বাঙালীর সামনে তার অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ণ, তার অধিকার অর্জনের প্রশ্ণ৷
‘মানুষের নববর্ষ আরামের নববর্ষ নয়, সে এমন শান্তির নববর্ষ নয়---পাখির গান তার গান নয়, অরুণের আলো তার আলো নয়৷ তার নববর্ষ সংগ্রাম করে আপন অধিকার লাভ করে আবরণের পর আবরণকে ছিন্ন বিদীর্ণ করে তবে তার অভ্যুদ্বয় ঘটে৷’---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
দেখতে দেখতে একটা গোটা বছর আমরা কাটিয়ে ফেললাম৷ বিদায় নিয়েছে ১৪২২৷ অন্যদিকে নোতুনের গান গেয়ে এসে গেছে ১৪২৩৷ আমরা বাঙ্গালীর কাছে ১লা বৈশাখ দিনটি একটি মাত্রা নিয়ে আসে৷ যদিও পরিতাপের বিষয় যে ইংরেজী নববর্ষকে নিয়ে বিশ্ববাসীর যে উন্মাদনা দেখা যায় তাঁর বিন্দুমাত্র বাংলা নববর্ষের কপালে জোটে না৷ জুটবেই বা কেন!
‘‘একদিকে বিদেশীরা বাঙলাদেশকে অধিকার করেছে৷ অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য করায়ত্ত করে অবাঙালী ব্যবসায়ীরা বাঙলার বৈষয়িক সম্পদ গ্রাস করেছে৷ বড়ো বড়ো বাঙালী ব্যবসায়ী পরিবার চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কৃপায় জমিদার হয়ে জড় বিলাসীতে রূপান্তরিত হয়েছে৷ আর মধ্যবিত্ত বাঙালী হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃতদাস--- দেশী বিদেশী ব্যবসায়ীদের৷’’
উপরের কথাগুলি ১৯২২ সালে এক যুব সম্মেলন বিশ্বখ্যাত বাঙালী বৈজ্ঞানিক ডঃ মেঘনাথ সাহা… বিশদ
পশ্চিমবঙ্গ দখলে উন্মত্ত কেন্দ্রীয় শাসকদল দানবীয় স্বৈরাচারের পথ ধরেছে৷ গণতন্ত্রের বেদীতে এই দানবীয় স্বৈরাচারের শুরু ২০১৪ সালের মার্চ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ৷ তারও আগে কমিশনার নিয়োগের আইন পরিবর্তন করে কমিশনার নিয়োগের অধিকার প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে তুলে নেয়৷ নিরপেক্ষ প্রশাসন গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ৷ কিন্তু মোদি সরকার শাসন ব্যবস্থায় দলীয় প্রভাব… বিশদ
রাষ্ট্র একটি সংস্থা যেখানে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর সার্বিক বিকাশের জন্যে শাসন পরিচালনা করা হয়৷ এই সংস্থাই দেশের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী৷ এই শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ রাষ্ট্রের নাগরিকদের কাছে অনেক সময় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ রাষ্ট্রের নাগরিকরা তখন রাষ্ট্রশক্তির নিয়ামকদের হাতে শোষন অত্যাচার নিপীড়ণের শিকার হয়৷ তাই শোষন অত্যাচার নিপীড়ণের হাত থেকে রাষ্ট্রের নাগরিকগণকে রক্ষা করতে… বিশদ
অর্থাৎ বৈশ্য–যুগেই বস্তুর বৈবহারিক মূল্য সবচাইতে কমে’ যায়। বস্তু স্ব–ভাবে বা টাকার অঙ্কে ক্রমশঃ স্থানু হয়ে পড়তে থাকে। বৈশ্য যুগে এইটেই সব চেয়ে বড় অভিশাপ। কারণ ভোগ্য বস্তুর গতিশীলতা যেখানে যত কম, বা অন্য ভাষায় বলতে গেলে, বিশেষ বিশেষ প্রকোষ্ঠে তার স্থিতিশীলতা যত বেশী, ততই তা… বিশদ
সমাজ–চক্রের পরিঘূর্ণনে, একটা বিশেষ যুগে তার পরবর্ত্তী যুগ আসার আগে একটা বিশেষ শ্রেণীর আধিপত্য থাকে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে৷ এই বিশেষ শ্রেণী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতায় থাকে, তাদের দ্বারা সমাজে শোষণ চলার সমূহ … বিশদ
গণহনন’ শব্দটির অর্থ হ’ল এক সঙ্গে অনেক মানুষকে হত্যা করা (mass murder or massacre) ৷ যদি একসঙ্গে অনেক অপরাধীকে হত্যা করা হয় তাকেও ‘গণহনন’ বলা হয়৷ কারণ বিশুষ্ক সৈদ্ধান্তিক বিচারে কে অপরাধী, কে নিরপরাধ তা যাচাই করে’ দেখা এক দুরূহ ব্যাপার৷ অনেক সময় কাগজে–কলমে দলিল–দস্তাবেজে ভুল তথ্য থেকে যায় যার ফলে নিরীহ মানুষের ওপর নেবে আসে কঠোর দণ্ডব্যবস্থার খড়গাঘাত৷ অনেক সময় বিচারকের বিচারেও ভ্রান্তি–দোষ থাকতে… বিশদ
সংরচনাগত অখণ্ডতার ব্যাপারে ৰলা যেতে পারে, সর্বোৎকৃষ্ট আকৃতি হচ্ছে ডিম্বাকৃতি৷ লাতিন ‘ওবাম’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ডিম৷ তাই ‘ওবাল’ শব্দের অর্থ ডিমের মত অর্থাৎ পুরোপুরি না হলেও কিছুটা ডিমের মত৷ পুরোপুরি ডিম্বাকৃতি নয়, তৰে প্রায় ডিম্বাকৃতি৷ সকল জ্যোতিষ্কই এই আকৃতির৷ সংস্কৃতে তাই বিশ্বকে ৰলা হয় ব্রহ্মাণ্ড৷ ‘অণ্ড’ মানে ডিম৷ সংস্কৃত ‘অণ্ড’ শব্দ থেকে উর্দু ‘… বিশদ
দ্বিতীয় গুণটা হ’ল প্রতাপ (administration) অর্থাৎ শাসন আছে৷ সবাই ভালবেসে হোক, ভয়েই হোক, তাঁকে মানবে৷ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, বিশ্বৰ্রহ্মান্ডের সবাই পরমপুরুষকে মানছে৷ কেন মানছে – না, না মেনে উপায় নেই৷ তার ভয়ে বায়ু বয়ে চলেছে৷ ভয় না থাকলে হাওয়া হয়তো বলত, খানিকক্ষণ বসে জিরিয়ে নিই৷ সংস্কৃতে হাওয়ার অপর নাম ‘অনিল’৷ সংস্কৃত ‘নিল’ মানে স্থির, স্থাণু, একটা জায়গায় যা স্থির হয়ে বসে আছে আর ‘অনিল’ মানে যা এক… বিশদ
সাধনায় কুলকুণ্ডলিনীকে ঊর্ধ্বগতি করতে না পারলে মন্ত্র জপ একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে৷ কুলকুণ্ডলিনীকে ঊধের্ব নিয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘পুরশ্চরণ প্রক্রিয়া’, আর মন্ত্রচৈতন্য বলতে অবশ্য আসলে ৰোঝায় সঠিকভাবে মন্ত্রের ভাব গ্রহণ করা৷ অর্থ ৰুঝে মন্ত্র জপ করলে মন্ত্রচৈতন্য বিধি সহজে নিষ্পন্ন হতে পারে৷ অর্থ না ৰুঝে জপক্রিয়া করা মানে সময়ের অপব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়৷
এর পর আসছে ‘পাপক্ষয়ং’৷ তোমরা… বিশদ
উচ্চৈঃস্বরে পরমপুরুষের গুণগান করাকে কীর্তন ৰলা হয়৷ সংস্কৃতে ‘কীর্ত’ ধাতুটার মানে হল জোরে উচ্চারণ করা যাতে ধবনিটা অন্যের কর্ণে প্রবেশ করে৷ এইভাবে পরমপুরুষের গুণগান করাকে কীর্তন ৰলা হয়৷
এখন প্রশ্ণ হচ্ছে পরমপুরুষ তো কারও কীর্তনের অপেক্ষায় বসে থাকেন না৷ পরমপুরুষ তো কাউকে বলেন না কীর্তন কর৷ তাহলে কীর্তন মানুষ করে কেন, করবেই বা কেন? এর পেছনে যে বিজ্ঞানটা রয়েছে সেটা হচ্ছে এই মানুষ স্থূল থেকে… বিশদ
নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।
সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত
Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved