আজ দলতন্ত্রী কুশাসনে পুঁজিবাদের শোষণে দেশবাসী সংকটে পরিত্রাণের পথ প্রাউট
আজ দলতন্ত্রী কুশাসনে মহান প্রাউট হলো মানব সমাজকে রক্ষা করবার একমাত্র পথ কারণ ধনতন্ত্র টাই গরীবদের ভাতে মারে ও প্রাণে মারে৷
আজ দলতন্ত্রী কুশাসনে মহান প্রাউট হলো মানব সমাজকে রক্ষা করবার একমাত্র পথ কারণ ধনতন্ত্র টাই গরীবদের ভাতে মারে ও প্রাণে মারে৷
মার্কস্ উদ্বৃত্ত মূল্য বা লভ্যাংশকে শোষণের উৎস বলে মনে করেছিলেন৷ পুঁজিপতিরা শ্রমিককে ন্যায্য মূল্য না দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের ওপর যে বর্ধিত মূল্য নির্ধারণ করে তাই মুনাফা৷ কিন্তু আজ শোষণ বলতে আর শুধু আর্থিক শোষণ নয়৷ প্রাউট তথা প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্বের প্রবর্তক মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার শোষণের সংজ্ঞা বলেছেন একটি নির্দিষ্ট ভৌগলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত তথাকার জনগোষ্ঠীর দৈহিক মানসিক ও আত্মিক বিকাশকে স্তম্বিত করে ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শ্রম ও মানসিক সম্পদের অবাধ লুণ্ঠনকে শোষণ বলে৷ মানুষ শুধু দেহ সর্বস্ব জীব নয়৷ মানুষ মন প্রধান জীব৷ তার মন আছে, আত্মা আছে৷ মানুষ
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় সমাজতন্ত্র আসাটা কঠিন কারণ জনগণের সচেতনতার অভাবে দলতন্ত্রের ওপর ধনতন্ত্র চেনে বসে৷ তখন শাসকে ‘ব’ কলমে রাষ্ট্র চালায় ধনকুবেররা৷ তবে ধীরে ধীরে সমাজব্যবস্থাকে সার্থক করে তুলতে সৎ নীতিবাদী শাসক যদি কিছুটা হয়,তাহলে হয়তো কিছুটা বাঁচার অধিকার দরিদ্র নাগরিকগণ পেতে পারে৷ আজ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সারা পৃথিবীর মানুষ জীবন সংগ্রাম করে একটি কথা হাড়ে হাড়ে অন্তরের সঙ্গে বুঝেছেন বিশেষ করে বিজ্ঞানের উন্নতিতে তাহলে সারা পৃথিবীটাই হলো সভ্য মানুষের কাছে একটি বৃহৎ পরিবার৷ তাই মানুষের মানুষের ভেদাভেদটা প্রায় মুছে গেছে যাচ্ছে৷ পৃথিবীর যেকোন স্থানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক
মার্কসীয় দর্শনে শোষণকে অর্থনৈতিক দিক থেকে বিচার করা হয়েছে৷ অর্থাৎ পুঁজিপতিরা তাদের উৎপাদিত পণ্য থেকে যে মুনাফা অর্থাৎ লভ্যাংশ পায় সেটাই শোষণ৷ কারণ ওই মুনাফায় শ্রমিকেরও শ্রম আছে৷ অথচ শ্রমিক তার ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়৷ মার্কস তাই শোষণের স্বরূপ বলতে শুধু আর্থিক শোষণকেই দেখেছেন৷ কিন্তু মানুষ শুধু উদর সর্বস্ব জীব নয়৷ তার মন আছে, আত্মা আছে৷ মননশীল জীব বলেই মানুষকে মানুষ বলা হয়৷ সমাজে শোষণের বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ বিদ্রোহ করে তার মননশীলতায় বিবেক জেগে উঠলে৷ তাই জাগতিক সম্পদ শোষণ করতে হলে মানুষের মননশীলতাকে স্তব্ধ করে দিতে হয়৷ কাল মার্কসের যুগ পার হয়ে আজকের শ্রমিক কর্ষক
এই পৃথিবীতে কেউ ইচ্ছা করুক বা না করুক প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই পৃথিবী এগিয়ে যাবে৷ কালের এই গতি রুদ্ধ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়৷ তবু মানুষের দুর্বুদ্ধি যুগে যুগে এই চেষ্টাই করে গেছে৷ পরিনামে মানব সভ্যতার ইতিহাসে রচিত হয়েছে অনেক পাশবিক, মর্মান্তিক রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত অধ্যায়৷
মনে পড়ে সেই ইংরেজ আমলের সময় ছোট এক টুকরো পশ্চিমবাংলায় ১৫টি সত্যাশ্রয়ী জেলা ছিল৷ স্বাধীন ভারতে বর্তমানে ২৪টি জেলা৷ ১৫ টিকে ২৪টি করেন৷ বর্তমানে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার এসে পশ্চিমবাংলার নানা কৌশল করে শাসন ক্ষমতায় হাতে নিয়ে প্রথম বাজেটেই ঘোষণা করে দিয়েছেন যে তারা নতুন পাঁচটি জেলা করবেন৷ গদিতে বসেই ঘোষণা করেছেন সরকারের হাতে টাকা নেই৷ নতুন জেলা যদি বাড়ানো হয় তাহলে তার প্রশাসনিক ব্যয় বাড়বে৷ আর রাজ্যে যদি জেলার সংখ্যা বাড়ে তাহলে রাজ্যের আয় বাড়াতে হবে৷ এদিকে আগেই সরকার ঘোষণা করেছেন যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাবে, তাহলে যে সীমান্তবর্তী একটি রাষ্ট্র তার নানা সমস্যা বিশেষ করে এই ছোট্ট রাষ্ট্রের
স্বাধীনতার পর ৭৮ বছর পার হয়ে গেল, তবু দেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী জীবন ধারণের নূ্যনতম প্রয়োজনটুকুও জোগাড় করতে পারছে না৷ এর অন্যতম কারণ দেশের সিংহভাগ সম্পদ দখল করে বসে আছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন ধনকুবের৷ এরাই সমাজে ঘৃণা বিদ্বেষ হিংসার বিষ ছড়াচ্ছে৷ এই বিষাক্ত পরিবেশ থেকে বাঁচার পথ প্রথমেই মানুষকে বেঁচে থাকার প্রাথমিক পাঁচটি প্রয়োজন পূর্ত্তি করতে হবে৷
অতি দুঃখের সঙ্গে অনেক প্রবীণ বলতে বাধ্য হচ্ছেন যে ধীরে ধীরে সারা সমাজটাই কি ধবংস হয়ে যাবে? চরম চারিত্রিক অধঃপতনে ও দল তন্ত্রী শাসকদের শাসনে সুশিক্ষার চরম অভাবে৷
সুভাষচন্দ্র কংগ্রেসের অন্তর্দন্দ্বের শিকার হয়েছিলেন আপাতদৃষ্টিতে ইতিহাস তাই বলে৷ কিন্তু পেছনে ছিল দেশীয় পুঁজিপতিদের গভীর ষড়যন্ত্র৷ কারণ সুভাষচন্দ্র শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়, অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও চেয়েছিলেন
ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে মমতা ব্যানার্জিও আপাত দৃষ্টিতে তৃণমূলের অন্তর্দন্দ্বের শিকার৷ অভিষেক ব্যানার্জি অবশ্যই একটা কারণ, তবে সেটা অজুহাত৷ ১৫ বছর ক্ষমতার মধু পান করতে করতে রাজনীতির লক্ষ্য উদ্দেশ্যটাই যারা ভুলে গিয়েছিল তাই আজ অসাম্প্রদায়িক মানুষের ভোটে জিতে সাম্প্রদায়িক শক্তি চরণে আশ্রয় নিয়েছে৷ কারণ ওখানে ক্ষমতার মধু পান করতে না পারলেও ছিটে ফোঁটা লেহন অন্তত করা যাবে৷
দীর্ঘ ৭৮ বছরের ভারতযুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নামকেওয়াস্তে গণতন্ত্র চলছে৷ সাম্প্রদায়িক দলতন্ত্রী দলছুট শাসকদের দ্বারা শাসনে দেশ গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ অন্ধবিশ্বাস, ধর্মমতের বিদ্বেষ যেমন বিচ্ছিন্নতাবাদকে উৎসাহিত করছে অপরদিকে ধনকুবেরদের নির্দয় শোষণে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত৷ সম্প্রতি সমীক্ষায় দেখা গেছে এখনো মোট বোটার এর ৪আনা যুক্তিবাদী নাগরিকগণ কোন দলেরই অন্ধ স্তাবক নয়!
ধর্মান্ধতা একটা জাতিকে শুধু দুই সম্প্রদায়ে নয়, ভৌগোলিকভাবেও দ্বিখণ্ডিত করে ধবংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে৷ তথাকথিত স্বাধীনতার পর ৭৮ বছর ধরে এপারে ওপারে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত লেগেই আছে, কখনও কখনও তা ভয়ঙ্কর হিংস্র হয়ে ওঠে, ভাই অক্লেশে ভায়ের রক্তে হাত রাঙায়৷ স্বাধীন দেশের শাসকও যখন এই সাম্প্রদায়ীক সংঘর্ষকে ইন্ধন যোগায় তখন তা আরও ভয়ঙ্কররূপ ধারণ করে৷ এই হিংস্র সাম্প্রদায়ীকতার আড়ালে খলনায়ক চতুর… বিশদ
তথাকথিত ধর্মমত কে হাতিয়ার করে একটা জাতি কিভাবে পুরো জনগোষ্ঠীকে ধবংসের পথে নিয়ে যেতে পারে বাঙালী জনগোষ্ঠী তার প্রকৃত উদাহরণ৷ দ্বিজাতি তত্ত্বের আওয়াজ তুলে হিংস্র উন্মত্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে দেশ ভাগ করে কয়েক কোটি মানুষকে চোদ্দ পুরুষের ভিটেমাটি ছাড়া করেও বাঙালীর বোধোদয় হলো না৷ একটা জনগোষ্ঠীকে ধবংসের কিনারে এনেও উন্মত্ত ধর্মান্ধতা ছাড়তে পারছে না৷ ধর্মের নামে যারা মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে,… বিশদ
বারুইপুর চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ডবল ইঞ্জিন সরকারের নারী সুরক্ষার বড়াই কত অসার৷ শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, ডবল ইঞ্জিন সরকারের অসমের মুখ্যমন্ত্রী অসম বিধানসভায় সম্প্রতি লিখিতভাবে জানিয়েছেন–গত দুমাসে অসমে ১১০টি নারী নির্যাতন ও ৪৬টি খুনের ঘটনা ঘটেছে৷ মজার কথা হলো রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ সবাই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়, কিন্তু এই ধরণের অপরাধ সমাজ থেকে নির্মুল করার কোন ইতিবাচক পথ দেখাতে ব্যর্থ৷ আসলে… বিশদ
‘‘সমানম্ এজতি ইতি সমাজঃ’’ অর্থাৎ সবাই মিলে যখন ঠিক করলে যে তারা একসঙ্গে চলবে, সুখে–দুঃখে একসঙ্গে থাকবে তখন তাদের মিলিত নাম হলো সমাজ৷ কেউ হয়তো অনেকটা এগিয়ে গেছে, কেউ বা পেছিয়ে পড়েছে, কারো পা ব্যথা করছে বলে হাঁটতে পারছে না, কেউ বা মুখ থুবড়ে পড়ে গেছে৷ তাদের দিকে না তাকিয়ে যে চলে গেল সে সমাজের লোক নয়৷ সমাজকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে, আর তাদিকে নিয়ে চলতে গেলে একটা বাড়তি দায়িত্ব এসে পড়ে৷ যেমন যে লোকটা… বিশদ
চলা জগতের ধর্ম৷ চলে চলেছে বলেই এই পৃথিবীর নাম জগৎ৷ ‘গম’ ধাতুর উত্তর ক্কিপ্ প্রত্যয় করে ‘জগৎ’ শব্দ নিষ্পন্ন যার মানে হ’ল---চলা যার স্বভাব৷ ব্যষ্টিগত জীবনে যেমন চলতে হয় সমষ্টিগত তথা সামূহিক জীবনেও তেমনি চলতে হয়৷ কিন্তু এই যে চলা, এই চলার জন্যে তিনটে জিনিসের প্রয়োজন আছে৷ একটা হচ্ছে---চলার জন্যে একটা সম্প্রেষণ, পেছন থেকে একটা ধাক্কা৷ যখন চলাটা বন্ধ হয় তখন ধাক্কা দিয়ে বলতে হয় চল চলতে হবে৷… বিশদ
রাজনৈতিক শোষণ
আবার দেখো, যেটা মানস–রাজনৈতিক শোষণ (psycho-political) অথবা রাজনৈতিক স্তরের শোষণ, সেটা কীরকম ভাবে হয়৷ একটা জনগোষ্ঠী আরেকটা জনগোষ্ঠীর ওপর সবলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে৷ তাদের পেছনে মুখ্য উদ্দেশ্য থাকে যে, ওই শোষিত জনগোষ্ঠী বা শোষিত দেশ (এখানে দেশের চেয়েও জনগোষ্ঠী বড় কথা)–ওই ভূমিটাকে আমি কাঁচামালের যোগানদার হিসেবে নোব কাঁচামাল তৈরী হবে আমার এক্তিয়ারের… বিশদ
প্রাচীন ৰাঙলা পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত ছিল– রাঢ়, সমতট, ৰঙ্গ, ৰরেন্দ্র ও মিথিলা। মিথিলা বর্তমানে বিহারের অঙ্গভূত। বঙ্গোপসাগরের বিশাল উপকূল এলাকা যাতে কোনো পাহাড়–পর্বত নেই কিন্তু যা পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর বালুযুক্ত দোয়াঁশ মাটি দিয়ে তৈরী, ও যার মধ্যে অজস্র জলাশয়, যা খাল–বিল আর শাখানদীতে সমৃদ্ধ, সংস্কৃতে সেই অঞ্চলকে বলে ‘সমতট’, কথ্য ৰাংলায় বলে ‘বাগড়ী’। এই অঞ্চল প্রাকৃতিক সম্পদ আর সমৃদ্ধ কৃষিসম্পদে পূর্ণ… বিশদ
গতরাতে আমি মানুষ জীবনের বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন দিশায় যে চলে সে সম্বন্ধে কিছু ৰলেছিলুম৷ এখন, জীবনের সফলতা লাভের প্রসঙ্গে এক চিরন্তর প্রশ্ণ আছে৷ কিছু মানুষ অনেক কিছু করেও শেষপর্যন্ত ব্যর্থ হয়, আবার কিছু মানুষ অল্প সময়ের জন্যে কিছু করে আর সাফল্যের শিরোপায় ভূষিত হয়৷ এর পিছনে রহস্যটি কী? কেন একজন সফল হয়, আর একজন তা হয় না?
তোমরা জান যে যোগসাধনার প্রথম প্রবর্তক ভগবান সদশিব...আমি যোগদর্শন ৰলৰ না… বিশদ
প্রতিটি কাজেই তোমাদের জানা উচিত কোন্টা কী ও কীজন্যে, কেন কেন এটা করছ, কেন ওটা করছ না৷ অতীতে আমি অনেকবারই বলেছি যে মানবসমাজ একটা একক সত্তা৷ এটা অবিভাজ্য, এটাকে নানান টুকরোয় বা অংশে ভাগ করা যায় না, কারণ মূলতঃ মানবতা এক৷
শিশু কি জানে যে সে একটা বিশেষ দেশের শিশু শিশু কি জানে যে সে সাদা, কালো বা হলুদ সে কি জানে যে সে শিশু, সে ছোট না, জানে না৷ আমরা বড়রা তাদের মনে নানান ধরনের মতবাদ ঢুকিয়ে… বিশদ
সংস্কৃত ‘নার’ শব্দের কয়েকটিই মানে হয়৷ একটা মানে হ’ল ‘জল’ আরেকটা মানে হ’ল ‘পরমাপ্রকৃতি’–সৃষ্টির আদি মাতৃকা অপর অর্থ হ’ল ‘ভক্তি’৷
সাধক মাত্রেরই মুখ্য তথা চরম লক্ষ্য থাকে এই যে, সে নিজেই যে ভক্তিসুধা পান করবে তা নয়, বরং অন্যেও যাতে সেই ভক্তিরসামৃতের অংশ পায় সে দিকেও তাঁর বেশী আগ্রহ থাকে৷ সাধক নিজে যে আনন্দ উপভোগ করছে সেটা সে অন্যের সঙ্গেও ভাগ–বাঁটোয়ারা করতে চায়৷
প্রাচীনকালে এমনই এক… বিশদ
নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।
সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত
Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved